রক্তাক্ত গাজা: নতুন বিমান হামলায় আবারও ঝরল বহু প্রাণ, বাড়ছে মানবিক বিপর্যয়

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর নতুন করে চালানো তীব্র বিমান হামলায় আবারও বহু ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন. গত ৪ জুন (২০২৬) গাজা সিটির একাধিক ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক ভবন ও শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কোনো পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই মাঝরাতে এবং ভোরে এই হামলাগুলো চালানো হয়, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে বহুতল ভবনগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানিয়েছেন, গাজা সিটির আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে এবং আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে চালানো এই হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। হামলার তীব্রতায় নারী ও শিশুসহ আরও বহু মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদেরকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত (https://www.shomoyeralo.com/news/365275)আল-শিফা হাসপাতালে (Al-Shifa Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এছাড়াও গত ৭ জুন দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের রাশিদ স্ট্রিটে একটি পুলিশ স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো আরেকটি বিমান হামলায় ৫ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন বলে (https://qna.org.qa/en/News-Area/News/2026-6/7/five-killed-17-others-wounded-in-israeli-airstrike-on-southern-gaza)ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (PRCS) নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার চেষ্টা চললেও গাজা উপত্যকায় প্রতিদিন কোনো না কোনো এলাকায় হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে চালানো এসব ধারাবাহিক হামলায় ইতিমধ্যে ৯ শতাধিক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। নতুন এই বিমান হামলা ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষের চলমান মানবিক সংকট ও নিরাপত্তাহীনতাকে আরও চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে।




এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনাটি শুরু করুন।