ট্রাম্পের হাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শীর্ষ পদক পেলেন মাস্কসহ ছয় প্রযুক্তিনেতা

যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দুই শীর্ষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেলেন ছয় প্রযুক্তিনেতা। তাঁদের মধ্যে চারজন—ইলন মাস্ক, সের্গেই ব্রিন, জেনসেন হুয়াং ও লিসা সু—পেয়েছেন ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স। মাইকেল ডেল ও সত্য নাদেলা পেয়েছেন ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন।
ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ‘Science: A New Golden Age’ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পদকগুলো তুলে দেন। একই অনুষ্ঠানে প্রশাসন বিজ্ঞান গবেষণার জন্য সরকারি, বেসরকারি, বিশ্ববিদ্যালয় ও দাতব্য খাত মিলিয়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ ও সহায়তার উদ্যোগ ঘোষণা করে। তবে এটি একক সরকারি বরাদ্দ নয়: ঘোষণার মধ্যে সরকারি প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি কোম্পানি ও অন্যান্য অংশীদারের অর্থ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তাও রয়েছে।
ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে জন্মেছেন। তাঁদের স্বীকৃতি যেমন বৈশ্বিক মেধার মার্কিন প্রযুক্তি-ব্যবস্থায় অবদান তুলে ধরে, তেমনি একই দিনে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের পথ সীমিত করার সরকারি পদক্ষেপ পুরস্কারের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে সামনে এনেছে।
কোন স্বীকৃতি কার জন্য
হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় মাস্কের সম্মাননার কারণ হিসেবে মহাকাশ অনুসন্ধান, বুদ্ধিমান ব্যবস্থা, যোগাযোগ ও উৎপাদন প্রযুক্তিতে তাঁর প্রকৌশলগত অবদানের কথা বলা হয়েছে। ব্রিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তথ্য অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াকরণের অ্যালগরিদম উন্নয়নে ভূমিকার জন্য। তাঁর ও গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের তৈরি অনুসন্ধান প্রযুক্তি ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার পদ্ধতি বদলে দিয়েছে।
এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী হুয়াংয়ের পদকটি জিপিইউকে গ্রাফিকস-নির্ভর যন্ত্রাংশ থেকে সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত গণনাপ্রযুক্তিতে রূপান্তরের জন্য। এ ধরনের সমান্তরাল গণনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং ও বৃহৎ পরিসরের মডেল প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ। এএমডির প্রধান নির্বাহী সু পেয়েছেন সেমিকন্ডাক্টর প্রকৌশল, প্রসেসর স্থাপত্য ও চিপলেট প্রযুক্তিতে তাঁর নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে। হোয়াইট হাউস তাঁর কাজকে বিশ্বের প্রথম এক্সাস্কেল সুপারকম্পিউটারের প্রযুক্তিগত ভিত্তির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
ডেল টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ডেলকে ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটিংয়ের বিস্তার এবং একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অবদানের জন্য ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন দেওয়া হয়। মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী নাদেলার স্বীকৃতির কেন্দ্রে ছিল ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং অবকাঠামো—যা এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও সেবা বিস্তারে কাজে লাগে।
পদকের মর্যাদা ও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন
ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৯ সালে; প্রেসিডেন্টের হাতে প্রথম পদক দেওয়া হয় ১৯৬৩ সালে। ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফ) বলছে, এই পুরস্কার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে জাতীয় স্বার্থে করা ব্যক্তির সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি। সংস্থাটির বর্ণিত নিয়মে সহকর্মীরা প্রার্থী মনোনয়ন দেন, প্রেসিডেন্ট-নিযুক্ত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের একটি কমিটি মনোনয়ন পর্যালোচনা করে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন প্রেসিডেন্ট। ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন প্রথম দেওয়া হয় ১৯৮৫ সালে।
তবে এবারের নির্বাচন একটি দীর্ঘদিনের রীতি নিয়ে আলোচনা তৈরি করেছে। অতীতের ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্সপ্রাপকদের বেশির ভাগই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলী; এবার চারজন পদকপ্রাপকই বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা বা প্রধান নির্বাহী। তাঁদের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি বিজ্ঞান ও গবেষণায় বাস্তব প্রভাব ফেলেছে—বিশেষ করে জিপিইউ, চিপ, তথ্য অনুসন্ধান ও মহাকাশ প্রকৌশলে। একই সঙ্গে, পুরস্কারটি কোনো একটি পণ্য বা ব্যবসায়িক সাফল্যের স্বীকৃতি নয়; এনএসএফের ভাষায় এটি একটি কর্মজীবনজুড়ে অর্জিত অবদানের সম্মান। ফলে বৈজ্ঞানিক অবদান, প্রকৌশলগত নেতৃত্ব ও বাণিজ্যিক সাফল্যের মধ্যে নির্বাচন কমিটি কীভাবে ভারসাম্য করেছে, সে বিষয়ে আরও প্রকাশ্য ব্যাখ্যা আগ্রহের বিষয়।
আরেকটি প্রশ্ন স্বার্থের সম্ভাব্য সংঘাত ঘিরে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদক দেওয়ার দিন প্রকাশিত আর্থিক বিবরণীতে দেখা যায়, ট্রাম্প আগস্টে এনভিডিয়ার শেয়ারের ১.৬ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত কিনেছিলেন এবং ১ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিক্রি করেছিলেন। হোয়াইট হাউস বলেছে, স্বাধীন তৃতীয় পক্ষ তাঁর বিনিয়োগ পরিচালনা করে এবং কোনো স্বার্থসংঘাত নেই। এই তথ্য নিজে থেকে পুরস্কার-নির্বাচনে অনিয়মের প্রমাণ নয়; তবে একই দিনে হুয়াংকে সম্মাননা দেওয়া এবং এনভিডিয়া-সম্পর্কিত সরকারি নীতির গুরুত্ব—দুটিই জনস্বচ্ছতার প্রশ্নকে প্রাসঙ্গিক করে তোলে।
৬ বিলিয়ন ডলারের ঘোষণা: প্রতিশ্রুতি ও বিনিয়োগের হিসাব
হোয়াইট হাউসের তথ্যপত্রে ঘোষিত মোট পরিমাণ ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর মধ্যে জেনেসিস মিশনের জন্য ১১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২.৪ বিলিয়ন ডলারের এআই-সম্পর্কিত বিজ্ঞান-সরঞ্জাম ও কম্পিউটিং সুবিধার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এনভিডিয়ার ১ বিলিয়ন, এএমডির ৫০০ মিলিয়ন, ওপেনএআইয়ের ২০০ মিলিয়ন এবং অ্যানথ্রপিক ও গুগলের প্রত্যেকের ১৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি তালিকাভুক্ত করেছে প্রশাসন। এগুলো সব নগদ সরকারি অনুদান নয়; এর মধ্যে কম্পিউটিং সুবিধা ও অন্যান্য শিল্প-সহায়তাও রয়েছে।
পরিকল্পনায় রয়েছে ১০টি অঙ্গরাজ্যের ১৪টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কম্পিউটিং জোট এবং জর্জিয়ায় কম্পিউটিং অবকাঠামো ও কর্মী-প্রশিক্ষণের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের উদ্যোগ। পাশাপাশি, চার বছরে বিশেষায়িত পিএইচডি সম্পন্ন করার জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের ফেলোশিপ, ছয় বছরে ব্যাচেলর ডিগ্রি থেকে পিএইচডি পর্যন্ত যাওয়ার নতুন কর্মসূচি এবং গবেষণাগার ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এসব উদ্যোগের বাস্তব ফল নির্ভর করবে অর্থের উৎস, সময়সীমা, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষকদের কাছে সুবিধা পৌঁছানোর পদ্ধতির ওপর।
বেসরকারি কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করে গবেষণার গতি বাড়ানোর যুক্তি আছে: উন্নত চিপ ও এআই অবকাঠামো ব্যয়বহুল এবং অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে একা তা তৈরি করা কঠিন। তবে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো যখন অল্প কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের হাতে থাকে, তখন প্রবেশাধিকার, মূল্য, তথ্যের গোপনীয়তা ও গবেষণার স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্নও থাকে। সরকারি ঘোষণায় মোট অঙ্কের পাশাপাশি এসব শর্ত কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নজরে রাখা জরুরি।
গবেষণা-অর্থায়ন নিয়ে ভিন্ন মূল্যায়ন
প্রশাসন উদ্যোগটিকে বিজ্ঞান গবেষণায় নতুন গতি আনার পরিকল্পনা হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু পুরস্কার ও নতুন বিনিয়োগের ঘোষণার পাশাপাশি ফেডারেল গবেষণা তহবিল ও গবেষণা-প্রতিষ্ঠান নিয়ে চলমান বিতর্কও রয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য গবেষণার অর্থায়ন, সংস্থায় কর্মীছাঁটাই এবং গবেষকদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার প্রবণতা নিয়ে বিজ্ঞানী ও রাজনীতিকদের উদ্বেগ রয়েছে। প্রতিবেদনে সাবেক হোয়াইট হাউস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনীতি কার্যালয়ের পরিচালক আরতি প্রভাকরের সমালোচনাও উদ্ধৃত হয়েছে। হোয়াইট হাউসের পাল্টা বক্তব্য—অনুদানকে আরও জবাবদিহিমূলক করে “সেরা বিজ্ঞান”কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এই মতবিরোধের কেন্দ্রে আছে বিজ্ঞানকে কীভাবে সমর্থন করা উচিত—দীর্ঘমেয়াদি, তুলনামূলক স্বাধীন মৌলিক গবেষণার মাধ্যমে, নাকি নির্দিষ্ট জাতীয় লক্ষ্য ও প্রযুক্তিগত অগ্রাধিকারে অর্থ কেন্দ্রীভূত করে। এআই-সহায়িত আবিষ্কার দ্রুত ফল দিতে পারে, কিন্তু মৌলিক গবেষণা অনেক সময় তাৎক্ষণিক ফলের নিশ্চয়তা ছাড়াই ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে। দুই ধরনের গবেষণার ভারসাম্য এবং অর্থায়নের ধারাবাহিকতা—দুটিই মার্কিন বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অভিবাসী মেধার স্বীকৃতি, অভিবাসননীতির টানাপোড়েন
এবারের ছয় পদকপ্রাপকের মধ্যে মাস্কের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকায়, ব্রিনের রাশিয়ায়, হুয়াং ও সুয়ের তাইওয়ানে, আর নাদেলার ভারতে। ডেলের জন্ম টেক্সাসে। পাঁচজন বিদেশে জন্মেছেন—তবে বিদেশে জন্মগ্রহণ এবং অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা একই বিষয় নয়; তাঁদের প্রত্যেকের অভিবাসন-ইতিহাস ও নাগরিকত্বের পথ আলাদা।
এই তথ্যের পাশাপাশি একই দিনে শ্রম বিভাগের পদক্ষেপটি বিশেষভাবে চোখে পড়ে। রয়টার্স জানিয়েছে, মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানকে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ PERM প্রক্রিয়া থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়; নতুন ও বিচারাধীন আবেদনও এতে প্রভাবিত হয়েছে। প্রশাসন বলেছে, শ্রমবাজারের নিয়ম ভাঙা ও মার্কিন কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ থেকে এ পদক্ষেপ। মাইক্রোসফটের প্রধান নাদেলা সেই দিনই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের পদক গ্রহণ করেন। এই সমাপতন অভিবাসী মেধার অবদান এবং অভিবাসন-নিয়ন্ত্রণের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট টানাপোড়েন তুলে ধরে।
সরকারি যুক্তির মূল্যায়ন করতে হলে নির্দিষ্ট অভিযোগ, প্রমাণ ও শ্রমবাজারের তথ্য দেখতে হবে। একইভাবে, দক্ষ বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের পথ বন্ধ বা বিলম্বিত হলে কর্মী, নিয়োগদাতা এবং গবেষণা-প্রতিষ্ঠানের ওপর কী প্রভাব পড়বে, সেটিও পরিমাপ করা দরকার। পুরস্কারপ্রাপ্তদের জীবনপথ একা অভিবাসননীতির সাফল্য বা ব্যর্থতা প্রমাণ করে না; তবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবনী ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক প্রতিভার স্থান নিয়ে প্রশ্নটিকে তারা সামনে আনে।
পরবর্তী নজরদারি
এই সম্মাননা অনুষ্ঠান একই সঙ্গে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক গুরুত্বও দেখিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এআই, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলছে; সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সক্ষমতার ওপর আরও নির্ভর করছে। এখন গুরুত্বপূর্ণ হবে—ঘোষিত বিনিয়োগের কতটা বাস্তবায়িত হয়, গবেষকেরা কম্পিউটিং সুবিধায় কতটা সমান প্রবেশাধিকার পান, এবং ফেডারেল মৌলিক গবেষণার অর্থায়ন কীভাবে এগোয়।
বাংলাদেশি ও অন্যান্য অভিবাসী পরিবারের তরুণদের কাছে পাঁচ বিদেশে জন্ম নেওয়া পদকপ্রাপকের সাফল্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। কিন্তু তাঁদের উদাহরণের বড় শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়: গবেষণা, প্রকৌশল, শিক্ষা, পুঁজি ও সুযোগকে একত্রে কাজে লাগানোর মতো প্রতিষ্ঠান থাকা জরুরি।
যা জানা, যা এখনও পরিষ্কার নয়
যা জানা: পদকপ্রাপকদের নাম ও পদকের ধরন হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে; অনুষ্ঠান হয় ৮ অক্টোবর। হোয়াইট হাউস ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। পাঁচ পদকপ্রাপকের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে।
সরাসরি সূত্র
#বিজ্ঞান #প্রযুক্তি #ইলনমাস্ক #অভিবাসীপ্রতিভা #কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা #NationalMedalOfScience #USInnovation #STEM




এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনাটি শুরু করুন।